চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে। আদালতের নির্দেশে তার দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা তদন্তে নতুন অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ২৪ মে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির আবেদনের পর এই আদেশ দেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.) মাজার সংলগ্ন কবরস্থান থেকে সালমান শাহের মরদেহাবশেষ উত্তোলন করা হবে এবং পুনরায় সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হলে পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে তাকে সিলেটে দাফন করা হয়।
এরপর দীর্ঘ সময় অপমৃত্যু হিসেবে থাকা ঘটনাটি গত বছর আদালতের নির্দেশে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মামলায় সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী সামীরা হক, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনও রয়েছেন।
বাদীপক্ষের দাবি, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তবে তদন্তে এখনো অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত হয়নি।
এই নতুন ময়নাতদন্তকে কেন্দ্র করে মামলাটির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন



