পাকুন্দিয়া উপজেলার সব সংবাদসহ, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয়, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক, খেলাধুলার সংবাদ দেখতে ক্লিক করুন => Pakundiapratidin.news ** আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া সকল সংবাদ আমাদের জানাতে পেইজে মেসেজ দিন অথবা হোয়াটস্অ্যাপে যোগাযোগ করুন- 01683130971 ** যে কোনো বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন- 01401300029 অথবা 01303405500 **

কটিয়াদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত



কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নিখোঁজের চারদিন পর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে এক ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার পৌর এলাকার ভোগপাড়া মহল্লায় কটিয়াদী-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।



জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি মো. জিল্লুর রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তির। তিনি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরগোহালবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। ঘটনার পরপরই কটিয়াদী সার্কেল এসপি মো. তোফাজ্জল হোসেনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।


পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জিল্লুর রহমানের গ্রামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরগোহালবাড়িয়া গ্রামে হলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি পরিবার নিয়ে কটিয়াদী সদরে বসবাস করতেন।


স্ত্রী ছাড়াও তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। কটিয়াদী পৌর এলাকায় তার দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ‘মুন ডিজিটাল স্টুডিও অ্যান্ড কালার ল্যাব’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করছিলেন। পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে ‘অন-টাইম প্লেট অ্যান্ড গ্লাস’ তৈরির কারখানা দিয়ে ব্যবসাও শুরু করেন।


পরিবারের লোকজন জানান, শুক্রবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি তিনি। সোমবার সকালে স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে মরদেহটি মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশ গিয়ে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।


ওই কারখানায় কাজ করা দুই কর্মী মদিনা ও শারমিন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে আমরা সর্বশেষ কাজ করে চলে যাই। আমরা ছাড়াও আরেকজন ড্রাইভার ছিল, তবে তার নাম আমরা জানি না।


তিনিও এখানে কাজ করতেন। মালামাল আসলে আমাদের ফোনে জানানো হতো। এরপর থেকে কাজের জন্য আর কোনো ফোন পাইনি।’

এদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওই ড্রাইভারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাৎক্ষণিকভাবে কেউ তার নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি।


মৃত জিল্লুর রহমানের স্ত্রী অন্তরা বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালে নাশতা খেয়ে বাসা থেকে বের হন তিনি। এরপর দুপুরে সর্বশেষ কথা হয়। পরে ফোনে কল গেলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেখি মরদেহটি মেঝেতে পড়ে রয়েছে।’


চাচাতো ভাই আব্দুল হাশিম বলেন, ‘কিভাবে এমন ঘটনা ঘটেছে, তার সঠিক তদন্ত চাই। আমার ভাই খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। আমরা তার নম্বরে অনেকবার কল দিয়েছি, কিন্তু ফোন খোলা থাকলেও রিসিভ হয়নি।’


কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। নিখোঁজের বিষয়ে থানাকে আগে অবগত করা হয়নি। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’




-সূত্র: কালেরকন্ঠ

Post a Comment

Previous Post Next Post